যে কোনো ফাইল হিডেন করা এবং হিডেন ফাইল শো করা শিখুন
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি ভালই আছেন, আমি ও আমরা আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহ্র অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছি। তবে আর কথা বাড়িয়ে লাভ কি? বেশি কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।
আমি ভেবেছি অনেক নতুন ভাইয়েরা আছে যারা নতুন পিসি কিনেছে এবং নতুন ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করেছে তাই তারা অনেক কিছুই যানে না, আমরা যা যনি তারা এথেকে অনেক পিছিয়ে আছে তাই তাদেরও আমাদের সাথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার এই উদ্দেশ্য, তাই আমি এই টিউটোরিয়াল ভাবে সবার সাথে শেয়ার করতে চাই। তো শুরু করা যাক!
কম্পিউটারে ফাইল হিডেন করা এবং হিডেন ফাইল শো করা নিয়ে বিস্তারিত দেখুন
তাহলে আজ কি নিয়ে আলোচনা করব বুঝতেই পারছেন।
হ্যাঁ আজ আলোচনা করব কিভাবে আপনি একটি ফাইল হাইড করে রাখবেন এবং সেই হাইড ফাইলটি আপনি আবার কি ভাবে আন-হাইড করবেন?
(হাইড বলে আপনি যদি চান কোন একটি ফাইল আপনি অদৃশ্য করে রাখবেন কেহ দেখতে পাবে না, তাহলে এই হাইড অপশনটি আপনি ব্যবহার করতে পারেন।)
তাহলে আপনি,
যে ফাইল/ফোল্ডারটি হাইড করতে চান সেই ফাইল/ফোল্ডারটির উপরে রাইট ক্লিক করুন।
তারপর সেখান থেকে একদম নিচের অপশনটি Properties এ ক্লিক করুন, বুঝতে অসুবিধা হলে নিচের ছবিটি দেখুন।

Properties এ ক্লিক করার পরে নিচের মত একটি মেসেজ আসবে আপনার সামনে সেখানে আপনি Hidden নামের অপশনটিতে টিক দিন এবং Apply এরপরে ok ক্লিক করুন।
ব্যাস দেখুন আপনার ফোল্ডারটি ওখান থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে।

যেভাবে হিডেন ফাইল শো করব!
এবার আসুন কিভাবে আবার ঐ ফোল্ডারটি Unhidden করবেন?
এ জন্য আপনি যে কোন একটি ফোল্ডার ওপেন করুন, এবং উপরে Tools থেকে Folder Options এ ক্লিক করুন,
অথবা আপনি Start>Control panel>Folder Option ওপেন করুন।
তাহলে নিচের মত আসবে সেখানে আপনি View ট্যাবটি ক্লিক করুন সেখানে দেখুন Show Hidden files and folders নামে একটি অপশন আছে

সেটি সিলেক্ট করে ওপেন করুন তাহলেই দেখবেন আপনার সেই হিডেন করা ফাইলটি সেখানে হালকা ভাবে শো করতেছে, (যেখানে আপনি ফাইলটি হিডেন করে ছিলেন)
নিচে দেখুন

এই ফাইলটিকে আবার আগের মত করতে, ফাইলটির উপরে রাইট ক্লিক করুন
এবং সেই Properties থেকে Hidden এর টিকটি উঠিয়ে দিন,
অবশেষে Apply, ok করুন, ব্যাস শেষ। আপনি আবার যদি চান Hidden ফাইল গুলো অদৃশ্য হয়ে থাকবে তাহলে আপনি আবার যে কোন একটি ফোল্ডার ওপেন করুন, এবং উপরে Tools থেকে Folder Options এ ক্লিক করুন,
>> অথবা আপনি Start>Control panel>Folder Option ওপেন করুন।
তাহলে নিচের মত আসবে সেখানে আপনি View ট্যাবটি ক্লিক করুন সেখানে দেখুন Do not show hidden files and folders নামে একটি অপশন আছে এটি সিলেক্ট করে Apply,
ok করে বেরিয়ে আসুন।

তাহলে আজ এ পর্যন্তই।
ভালো থাকবেন।
ভালো লাগলেকমেন্ট করে জানাবেন কিন্তু!
সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭
√কম্পিউটারের ডেক্সটপ(Desktop)কাকে বলে?
মনিটরের চারপাশে দেখতে পাওয়া সম্পূর্ণ স্ক্রীনটিকে ডেক্সটপ বলা হয়।
♪ বর্ননা:
এখানে লক্ষ করুণ হাতের বাম পাশে উপরে রয়েছে কিছু আইকন, নিচে রয়েছে স্টার্ট মেনু ও ডান পাশের নিচে ঘড়ির সময় সহ কিছু মিনি আইকন এবং এর মাঝখানে রয়েছে সম্পূর্ণ কালো একটি ব্যাকগ্রাউন্ড আর এই কালো জায়গা টিকেই ডেক্সটপ বলে।
♪কার্সর কি?
আমরা যখন কম্পিউটারে মাউস নারা চারা করি
তখন তীরের মতো একটা জিনিস নাচা-নাচি করে তাকে মাউস কারসর(Cursor) বলে।
♪বর্ননা:
কম্পিউটারে মাউস এর ব্যাবহার কম্পিউটারে মাউস দারাই বেশিরভাগ কাজ সম্পাদন করা হয়।
বর্তমান মাউস এ তিনটি বোতাম থাকে :
১- বামপাশের বোতাম(primary/left Button),
২- মাঝের বোতাম বা চাকা(wheel button)
৩- ডানপাশের বোতাম(Secondary/right Button)
এই কারসর কাজের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তন হতে থাকে।
স্ক্রীনের কোন স্থানে মাউস পয়েন্টার স্থাপন করে মাউসের বোতামে চাপ দেওয়াকে বলে মাউস ক্লিক করন।
একবার মাউস বোতাম চাঁপাকে বলে ক্লিক।
তেমনি দুবার মাউসের বোতাম চাঁপাকে বলে ডাবল ক্লিক।
মাউস দারা কোন ফাইল বা প্রোগ্রাম ওপেন করতে হলে ওই ফাইল বা প্রোগ্রামের উপর মাউসকারসর নিয়ে বাম পাশের বোতাম দিয়ে ডাবল ক্লিক করতে হয়।
চালু করা কোন প্রোগ্রাম বন্ধ করতে বা মিনিমাইজ করতে বামপাশের বোতাম দিয়ে একবার ক্লিক করলে বন্ধ বা মিনিমাইজ হয়ে যাবে।
ডানপাশের বোতাম দিয়ে কোন ফাইল “সেভ করা, পেস্ট করা, কেটে ফেলাসহ কোন ফাইল, আইকন বা প্রোগ্রামের বিস্তারিত জানা যায়।
ডান পাশের বোতামে সব সময় এক বারি ক্লিক করতে হয়।
মাঝখানের বোতাম বা চাকা বাটন শুধু কোন বড় পেজ এর উপরে ও নিচে যেতে কাজে লাগে।
উদাহরন:যেমন ধরুন আপনি কোন পত্রিকা পরছেন সেক্ষেত্রে পেজটি বড় হলে এই বোতাম দিয়ে খুব সহজে উপরে ও নিচে যাওয়া যায়।
♪উইন্ডো কি?
কম্পিউটারে কোথাও ক্লিক করলে যে চর্তুভূজ আকারে কোনো এক ববা একাধিক পেজ ওপেন হয় তাকেই উইন্ডো বলে।
♪বর্ননা:
একটি উইন্ডো কে ছোট ও বড় করন এবং উইন্ডো বন্ধ করা উইন্ডো এর বাংলা শব্দ জানালা।
আমরা কম্পিউটারে যখন কোন প্রোগ্রাম চালু করি তখন ওটা একটা উইন্ডো আকারে ওপেন হয়।
এভাবে আমরা কম্পিউটারে এক সাথে অনেক গুলো প্রোগ্রাম উইন্ডো আকারে চালু করাতে পারি।
চালু করা উইন্ডো বড়, ছোট ও বন্ধ করা যায়।
আইকন কি ?
কম্পিউটারে যে সকল ছোট ছোট এক বা একাধিক ছবি বা চিত্র দেখা যায় তাকে icon বলে।
♪বর্ননা:
আইকন হল উইন্ডোজ স্ক্রীন এর অন্যতম মৌলিক অংশ। উপরের চিত্রে দেখানো হয়েছে।
My Document,My computer,Recycle Bin এগুলোকে আইকন বলা হয়।
যেমন এখানে তিনটি আইকন আছে আপনার কম্পিউটারে আরও বেশী আইকন থাকতে পারে।
উল্লেক্ষ্য যে আমরা কম্পিউটারে নতুন কোন প্রোগ্রাম ইনস্টল করলে সেটি একটা আইকন ধারন করে এবং ওই আইকনে ডাবল ক্লিক করে প্রোগ্রামটি রান করাতে হয়।
♪টাইটেল বার ও মেনু বার এবং স্ক্রোলবার কি ?
♪বর্ননা:
মেনু বারঃ
File,Edit,View,Favorites,Help ইহারা এক একটি মেনু এবং ইহাদিগকে যে লাইনে দেখা যাই উহার নাম মেনু বার।
মেনু বার দিয়ে প্রোগ্রামের নান ধরনের কাজের। কমান্ড দেওয়া যায়।
আর স্ক্রোলবার দিয়ে কোন প্রোগ্রামের নিচে বা উপরে যাওয়া যায়।
নিচের ছবিতে দেখানো হোল। 
ফোল্ডার:
♪বর্ননা
কি ফোল্ডার তৈরি করা ও নাম পরিবর্তন করা। ফোল্ডার মানে যার ভিতর এক বা একাধিক ফাইল রেখে দেওয়া যায়।
মনে করুণ আপনার কিছু ছবি ও কিছু ভিডিও আছে তো আপনি চান এগুলো আলাদা আলাদা করে রাখবেন সেই ক্ষেত্রে আপনাকে ফোল্ডার বানাতে হবে।
যেমন ছবির জন্য একটা আর ভিডিওর জন্য আরেকটা।
উল্লেখ্য একটি ফোল্ডারের ভিতর আরও অনেক সাবফোল্ডার বানানো যায়। নতুন ফোল্ডার তৈরী করার জন্য কম্পিউটারের ডেস্কটপের যেকোন খালি জায়গায় গিয়ে মাউস এর ডানপাশের বোতাম ক্লিক করুণ,
এখানে New লেখার উপর মাউস কারসর নিয়ে যান ডান পাশে দেখেন Folder নামে একটা আইকন দেখবেন সেখানে মাউস এর বামপাশের বোতাম দিয়ে একবার ক্লিক করুন,তাহলে ডেস্কটপে একটা ফোল্ডার তৈরী হবে।
এবার এর নাম করন করার জন্য তৈরী করা ফোল্ডারের উপর মাউস কারসর নিয়ে ডানপাশের বোতামে ক্লিক করুণ, নিচের ছবির মতো আসবে  এখানে Rename এ ক্লিক করুণ, বাম পাশের বোতাম দিয়ে ক্লিক করার সাথে সাথে মাউস থেকে হাত উঠিয়ে ফেলুন।
তারপর কীবোর্ড এ গিয়ে যে নাম দিতে চান সে নাম দিয়ে এন্টার(Enter) চাপুন বা মাউস এর বামপাশের বোতাম দিয়ে যে কোন খালি জায়গাই ক্লিক করুণ, দেখবেন আপনার ফোল্ডারের নাম করা হয়ে গেছে।
পুরান ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার পদ্ধতি একি রকম।
ফাইল কপি(copy)ও পেস্ট(Paste)করা:
♪বর্ননা:
কম্পিউটারে কোন ফাইল কপি ও পেস্ট করা অনেকটা ফোল্ডার তৈরী করার মতো ।
এর জন্য আপনাকে যে ফাইল টি কপি করতে চান তার উপর মাউস এর করসার নিয়ে ডানপাশের বোতাম ক্লিক করুণ দেখবেন Copy নামে একটা লেখা আসবে সেখানে ক্লিক করুণ বাম পাশের বোতাম দিয়ে,
এবার যেখানে এই কপি করা ফাইল টির পুনর্স্থাপন বা পেস্ট করতে চান সেখানে মাউস কারসর নিয়ে আবার ডানপাশের বোতাম ক্লিক করুন,করে সেখানে Past লেখার উপর ক্লিক করুণ বাম পাশের বোতাম দিয়ে।
ব্যাস কাজ শেষ আপনার ফাইল কপি হয়ে যাবে।
ফাইল ডিলিট(Delete) করা
♪বর্ননা
কম্পিউটারে কোন ফাইল ডিলিট বা মুছিয়া ফেলা অনেকটা কপি-পেস্ট করার পদ্ধতির মতো।
ফাইল ডিলিট করার জন্য যে ফাইল ডিলিট করবেন তার উপর মাউসের কারসর নিয়ে ডান পাশের বোতাম দিয়ে একবার ক্লিক করুণ,সেখানে Delete নামে লেখাতে ক্লিক করুণ বাম পাশের বোতাম দিয়ে একবার,
ক্লিক করার সাথে সাথে আর একটা উইন্ডো আসবে।
 এটা একটি সতর্ক বার্তা প্রদর্শনকারী উইন্ডো যা আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছে যে আমি কি অবশ্যই সিলেক্ট করা ফাইল টিকে আপনার কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলতে চান,
চাইলে Yes এ ক্লিক করুণ বাম পাশের বোতাম দিয়ে একবার, আর নি চাইলে No তে ক্লিক করুণ বাম পাশের বোতাম দিয়ে একবার,
তাহলে আপনার ফাইল টি ডিলিট হয়ে যাবে।
তাহলে আজ এই পর্যন্তই রাখলাম।
ভাল লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না…কিন্তু! যদি আমাদের লেখার মাঝে কোন ভুলত্রুটি থাকে তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাইকে ভাল থাকবেন। আবার আসব নতুন পোষ্ট নিয়ে।
শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৭
কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড দেওয়ার নিয়ম
নানা প্রয়োজনে কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হয়।
বিশেষ করে গোপনীয়তা রক্ষায় পাসওয়ার্ড দেওয়া অনেক ক্ষেত্রে জরুরি হয়ে পড়ে।
এ ছাড়া বাসায় ছোট বাচ্চা থাকলে তারা এলোমেলোভাবে ব্যবহার করে কম্পিউটারের ক্ষতি সাধন করতে পারে। তাই পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখলে অন্য কারও পক্ষে কম্পিউটার ওপেন করা সম্ভব হয় না।
কেমন করে কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড দিতে হয় তা দেখুন এই টিউটোরিয়ালে।
১. প্রথমে কম্পিউটারের Start Menu তে ক্লিক করতে হবে।
>>সেখান থেকে Control panel এ ক্লিক করতে হবে।
২. এরপর নতুন একটি উইন্ডো আসবে যেখান থেকে User Account অপশনটি ক্লিক করে ওপেন করতে হবে।
৩. এ অপশন থেকে create a password for you account এ ক্লিক করতে হবে।
৪. এবার আপনার পছন্দ মত পাসওয়ার্ডটি টাইপ করতে হবে।
এরপর create password এ ক্লিক করতে হবে। তাহলে পাওয়ার্ড তৈরি হয়ে যাবে।
এখন কম্পিউটার অন করার সময় পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হবে। পাসওয়ার্ড ছাড়া কেউ কম্পিউটার স্টার্ট করতে পারবে না।
ভালো থাকবেন।
আপনার জীবন হোক সুন্দর।
প্রথমে computer স্টার্ট করার পদ্ধতি দেখুন:
১) ধরে নেওয়া হয়েছে যে আপনি সব কানেকশান ঠিকমতো লাগিয়েছেন। না পারলে পরের পোস্টের অপেক্ষা করুন।
২) এবার বোর্ড এর সুইচ অন করুন।
৩) UPS এর সুইচ অন করুন। এই অন করার দুই রকম পদ্ধতি আছে। কিছু সুইচ টিপে দিলেই চলে। কিছু আবার টিপে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখা লাগে।
৪) এর পরে CPU এর স্টার্ট বাটন টিপুন। আপনার মেশিনের মডেল অনুসারে এটি বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারে। খুঁজে না পেলে সব বোতাম টিপে টিপে দেখুন।
৫) এবার কম্পিউটার অন হয়ে যাবে (এটি কেবল উইন্ডোজ এর জন্য।)
এবারে আসি অফ করার পদ্ধতিতে।
১) যাদের কিবোর্ডে অফ কি আছে তারা প্রেস করতে পারেন। তবে সবার এইটি থাকে না।
২) কিবোর্ড থেকে Alt ধরে F4 টিপতে পারেন।
৩) এক্সপি হলে Win কী টিপে তার পর দুবার U টিপুন।
৪) CPU থেকে যেটি টিপে অন করেছিলেন সেইটি টিপেও অফ করা যায়।
বিশেষ সতর্কতাঃ- উইন্ডোজ় হলে মেশিন অফ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। কারণ বন্ধ করলেই বন্ধ হবে এমন গ্যারান্টী দেওয়া যায় না। আপনাকে মাউস দিয়ে End Program করতে হতে পারে।
৫) এছাড়া লিনাক্স হলে সোজাসুজি সুইচ অফ করে দিলেও চলতে পারে।
লিখে পুরোপুরিভাবে বোঝানো সম্ভব নয়।
তাই সামান্য ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করলাম।
যদি কোনো ভুল হয় তবে ক্ষমা করবেন।